Skip to product information
1 of 2

Taqwa

খাঁটি সরিষা ফুলের ক্রিম হানি (২ কেজি) ১২০০ টাকা

খাঁটি সরিষা ফুলের ক্রিম হানি (২ কেজি) ১২০০ টাকা

Regular price Tk 1,200.00 BDT
Regular price Tk 1,890.00 BDT Sale price Tk 1,200.00 BDT
Sale Sold out
Shipping calculated at checkout.

🟢 ক্রিম হানি খেলে কি উপকারীতা পাবেন ?

  • সাদা চিনির ক্ষতি থেকে আপনার পরিবারকে বাঁচাবে।
  • আপনার ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করবে ইনশা আল্লাহ।
  • ঝটপট এবং স্বাস্থ্যকর নাস্তার সমাধান দিবে।

অতঃপর তুমি প্রতিটি ফুল থেকে আহার করো এবং তুমি তোমার রবের সহজ পথে চলো। তার পেট থেকে এমন পানীয় বের হয়, “যার রং ভিন্ন ভিন্ন”, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগ নিরাময়। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে।
(সূরা আন-নাহ্‌ল ১৬:৬৯ আয়তে)

মধু হল মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রাকৃতিক এ্যান্টিবায়োটিক। ক্রিস্টাল হানি/ক্রিম হানি আপনার নাস্তার স্বাদ বাড়াবে এবং আপনার ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে যথাযথ ভূমিকা পালন করবে।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী।

🟢 এই প্যাকেজে খাঁটি সরিষা ফুলের ক্রিম হানি (২ কেজি)

খাঁটি সরিষা ফুলের ক্রিম হানি (২ কেজি)

✅ ক্রিম হানির বৈশিষ্ট্যঃ-

  • ক্রিম হানি খুবই মিষ্টি
  • দেখতে ক্রিমের মত
  • রং হবে সাদা অথবা অফওয়াইট কালার
  • ক্রিম হানি মুলত শীতে জমে যাওয়া সরিষা ফুলের মধু
  • টাটকা মধু দেখতে সাধারণত Extra Light Amber রঙের হয়। তবে কিছু দিন পরে জমে যাওয়ার ফলে সাদা রঙের হয়ে যায়।
  • কোন কোন সময় চিনির দানার মত জমাট বাধে
  • মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে।
  • এটা খেতে খুবই সুস্বাদু

মধুর উপাদান মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

✅ ক্রিম হানি কি?

সরিষা ফুলের মধু স্বভাবতই জমে যায়। তখন এটাকে দেখতে অনেকটা ক্রিমের মত লাগে। খেতেও দানাদার এবং ক্রিমি হয় ।আর তাই এটিকে ক্রিম হানি নামকরণ করা হয় ।


মধুর কার্বোহাইড্রেট গঠনে দুটি প্রধান উপাদান হল গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ।এগুলো হচ্ছে ইনভার্টেড সুগার। যদি কোনো মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ ফ্রুক্টোজের চেয়ে বেশি থাকে তখন সে মধু অল্প সময়ের ব্যবধানেই দানাদার হয়।


সরিষা ফুলের মধু শীতকালে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই জমে যায়, আর গরমের সময় জমতে একটু দেরি হয়, কয়েক সপ্তাহ অথবা ২/৩ মাস বা এর চেয়ে একটু বেশি সময় ও লেগে যেতে পারে। তবে জমবেই। আর যদি না জমে, তাহলে বুঝতে হবে ওই মধুতে সমস্যা আছে। এই জমা মধুই উন্নত বিশ্বে ক্রিম হানি নামে পরিচিত।

বোতলে রাখা সরিষা ফুলের মধুর পুরোটাই জমে যেতে পারে অথবা বেশিরভাগ অংশ বা আংশিক জমে যাবে। সরিষা ফুলের মধু জমে অনেকটা ঘি এর রূপ ধারণ করে। জমে যাওয়া মধু মোলায়েম, নরম ও ছোট ছোট দানাদার হবে।

✅ ক্রিম হানির RAW মধু কেমন হয়?

সব মধুর বৈশিষ্ট্য এক না। কোনটার রং লাল,কালো আবার সাদা। কোন মধু জমে যায় আবার কোনটা জমে না। একই মৌমাছি কিন্তু ফুলের ভিন্নতার কারণে মধুর বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হয়। সরিষা ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য এই মধু খুবই মিষ্টি। রং হবে হালকা হলুদ বর্ণের।

তবে এই মধুর সবচেয়ে বড় যে বৈশিষ্ট্য, তা আমাদের অনেকের জানা নেই। — সরিষা ফুলের মধু শীতকালে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই জমে যায়, আর গরমের সময় জমতে একটু দেরি হয়, কয়েক সপ্তাহ বা ২/৩ মাস বা এর চেয়ে একটু বেশি সময় লেগে যেতে পারে। তবে জমবেই। যদি না জমে, তবে বুঝতে হবে মধুতে সমস্যা আছে। এই জমা মধু উন্নত বিশ্বে ক্রিম হানি বলে পরিচিত।

বোতলে রাখা সরিষা ফুলের মধুর পুরোটাই জমে যেতে পারে অথবা বেশিরভাগ অংশ বা আংশিক জমে যাবে। সরিষা ফুলের মধু জমে অনেকটা ঘিয়ের রূপ ধারণ করে। জমে যাওয়া মধু মোলায়েম, নরম, ছোট ছোট দানাদার হবে।

✅ মধু জমে যায় কেন ?

অনেকে সরিষা মধু জমাকে ভুল বোঝেন। তারা একে ভেজাল মনে করেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মধু জমে যাওয়া একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তরল থেকে দানাদার অর্ধ-কঠিন অবস্থায় যাওয়ার এ প্রক্রিয়াকে গ্র্যানুলেশন (granulation) বা কঠিন মৌচাক থেকে আলাদা করার পর মধু যত দ্রুত জমে, চাকের ভেতর মোমের কোষে থাকলে তত দ্রুত জমে না। প্রতিটি মধুর স্ফটিকায়নের একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। জমে যাওয়ায় মধুর রং বদলে যায়, তরল থেকে দানাদার হয়ে যায় কিন্তু মধুর গুণগত মান কমে না।

সাধারণত সরিষা মধু তে ৭০% এর বেশি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট ও ২০% এর কম পানি থাকে। তার মানে স্বাভাবিকভাবে পানিতে যে পরিমাণ চিনি দ্রবীভূত হয়, মধুতে তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। চিনির মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ দ্রবণকে অস্থিতিশীল করে। একারণেই মধুর জমাট বাধা শুরু হয়। পানি থেকে গ্লুকোজ আলাদা হয়। গ্লুকোজ স্ফটিক আকারে জমতে থাকে। আর দ্রবণটি আস্তে আস্তে সাম্যাবস্থার দিকে যায়।

এছাড়া আরো কিছু নিয়ামক রয়েছে যা স্ফটিকায়ন শুরু করা, তরান্বিত করা ও স্লথ করায় ভূমিকা রাখে। গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ ছাড়া মধুর অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট উপাদান, এমাইনো এসিড, প্রোটিন, খনিজ, এসিড ইত্যাদিও স্ফটিকায়নের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। এছাড়া ধুলা, পরাগরেণু, মোমের কণা বা বহিরাগত স্ফটিকের উপস্থিতিতেও স্ফটিকায়ন তরান্বিত হতে পারে।

✅ Raw Honey এবং Processing Honey কাকে বলে?

মৌমাছি যে মধু তৈরি করে মৌচাকে জমা করে, সেই মধুই হচ্ছে কাঁচা মধু বা ‘র হানি’। সেটা গ্রাম গঞ্জের হাতে চাক কাটা মধু হোক বা বাক্সের ভেতরে পোষা মৌমাছি দিয়ে উৎপাদিত মধু হোক। এই দুই প্রকার মৌমাছিই যদি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে, তাহলে এই দুই প্রকার মধুই ভালো মধু, খাঁটি মধু।

বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ মধু প্রক্রিয়াজাত মধু বা Processing Honey। কাঁচা মধু এবং প্রক্রিয়াজাত মধু , এই দুই মধুর মধ্যে স্পষ্ট অনেক পার্থক্য রয়েছে। প্রক্রিয়াজাত করা হয় মধু গরম করার মাধ্যমে। আর মধু গরম করলে মধুর অনেক উপকারিতা নষ্ট হয়ে যায় এবং অনেক সময় ক্ষতিকর হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে ভালো মানের Raw Honey বা কাঁচা মধু খাওয়ার জন্য।

✅ মধু খাওয়ার উপকারিতা

View full details

Customer Reviews

Be the first to write a review
0%
(0)
0%
(0)
0%
(0)
0%
(0)
0%
(0)